Coming us...

You're vote your power

*যারা ভোট দিতে যাবেন, তাদের জন্য* ১। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাবেন না। সাইলেন্ট বা অফ করেও না। একান্ত নিতেই যদি হয়, সেটা কেন্দ্রীয় সি আর পি এফ এর কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখবেন। কোন অবস্থাতেই যেন মোবাইল নিয়ে বুথে ধরা না পড়েন। এবার এই নিয়ে নির্বাচন কমিশান খুবই কড়া। জেল হাজত হয়ে গেলে মুশকিল। ২। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে "আপকা ঘর কিধার হ্যায়?" বলে খেজুর জমাতে যাবেন না। লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। আপনার, ওদের-ও! ওদের নিজেদের কাজ করতে দিন। ৩। ভোটার আই কার্ড বা এপিক থাকলে সেটাই নিয়ে যান। আপনার পাসপোর্ট দেখিয়ে অতিরিক্ত সম্মান পাবেন না। যে পুজোর যে ফুল, সেটাই ব্যবহার করা ভাল। হাতের কাছে না থাকলে যে কটা লিস্টে আছে, সেগুলোই নিয়ে যান। এর বাইরে অন্য কিছু নিয়ে ভিতরে ফার্স্ট পোলিং-এর সঙ্গে তর্ক জুড়বেন না। গতবার এই হয়েছিল, সেই হয়েছিল বলে। এবারের নিয়ম এবারে। ৪। নিজের অংশ নম্বর আর লিস্টের আনমার্কড কপি (যেটা বাইরে ঝুলানো থাকে) তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন। তাহলে আপনারই সুবিধে! ৫। পার্টির দেওয়া কাগজের প্রচার অংশটা বাড়ি থেকেই ছিঁড়ে নেবেন। ভোটকেন্দ্রে ছিড়বেন না। নোংরা করবেন না। আর সেটা নিয়ে বুথে তো ঢ...

Holi

ন্যাড়া পোড়া বা অসুরা হোলিকা দহন 🔥 🔥দোল বা হোলির আগের রাতে কোনও খোলা জায়গায় শুকনো পাতা ও কাঠকুটো জ্বালিয়ে আগুন ধরানোর রীতি প্রচলিত আছে। একে বাঙালিরা ন্যাড়াপোড়া বলেন এবং আবাঙালি সমাজে এটাই হোলিকা দহন নামে পরিচিত। 🔥ন্যাড়া পোড়া হল মন্দের উপর ভালোর, (জয়ের )প্রতীক। তাই তো দোলের আগের দিন, ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার সন্ধ্যায় হোলিকা দহন বা ন্যাড়া পোড়ানো হয়। এতে অশুভ শক্তির বিনাশ হয়। 🔥হোলিকা দহন উৎসব বা ন্যাড়াপোড়া অসুরা হোলিকাকে পোড়ানোর মাধ্যমে উদ্‌যাপন করা হয়। হিন্দুধর্মের অনেক ঐতিহ্যেই হোলি উৎসবে প্রহ্লাদকে বাঁচাতে বিষ্ণুর দ্বারা হোলিকা বধকে উদ্‌যাপন করা হয়। 🔥এই দোল বা হোলি যেমন প্রেমের উৎসব, তেমনই অশুভকে নাশ করে শুভ শক্তির জয় উদযাপনের দিন এটি। সেই জন্যে আগের দিন পালন করা হয় হোলিকা দহন বা বাঙালির বুড়ি পোড়ানো । দোল বা হোলির সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা কাহিনি। রঙের উৎসবের সঙ্গে রাধা কৃষ্ণের কাহিনি জড়িয়ে আছে। হোলির সঙ্গে যুক্ত নৃসিংহ অবতারের পৌরাণিক গল্প আছে ।রাক্ষস রাজা হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ ছিলেন পরম বিষ্ণুভক্ত। সেই কারণে প্রহ্লাদকে হত্যা করার জন্য হিরণ্যকশিপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে আগুনে নিক্ষেপ করার পরিকল্পনা করেন। বিষ্ণুর কৃপায় আগুন প্রহ্লাদকে স্পর্শ করতে না পারলেও সেই আগুনে পুড়ে মারা যান হোলিকা। তার হোলি হল অশুভ শক্তির পরাজয় ও শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক। তাই হোলির আগের দিন হোলিকা দহন পালন করা হয়। 🔥 🍂 দোলপূর্ণিমা ও হোলির মধ্যে পার্থক্য কী? দোলপূর্ণিমা ও হোলি একই তিথিতে পালিত হলেও তাদের আধ্যাত্মিক অর্থ ও উদযাপনের ধরনে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। 🌸 দোলপূর্ণিমা কী? দোলপূর্ণিমা মূলত ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতার উৎসব। এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা–র পূজা করা হয় এবং তাঁদের দোলনায় বসিয়ে দোলযাত্রা পালন করা হয়। মন্দিরে কীর্তন, ভজন ও আবির নিবেদন করা হয়। বাংলায় এই দিনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, কারণ এই পূর্ণিমাতেই জন্মগ্রহণ করেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। তাই একে “গৌর পূর্ণিমা” নামেও ডাকা হয়। ভক্তদের কাছে এটি প্রেম, নামসংকীর্তন ও ঈশ্বরভক্তির দিন। 🎨 হোলি কী? হোলি মূলত রঙের উৎসব হিসেবে সারা ভারত জুড়ে উদযাপিত হয়। এই দিনে মানুষ একে অপরকে রঙ ও আবির মেখে আনন্দ প্রকাশ করে। হোলির সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রহ্লাদ ও হোলিকা–র পৌরাণিক কাহিনি। এই কাহিনি অশুভ শক্তির বিনাশ ও ভক্তির জয়ের প্রতীক। হোলির আগের রাতে ‘হোলিকা দহন’ অনুষ্ঠিত হয়, যা মন্দের দহনকে নির্দেশ করে। ✨ মূল পার্থক্য কী? দোলপূর্ণিমা বেশি ভক্তিমূলক ও ধর্মীয় আচারনির্ভর। হোলি বেশি সামাজিক, আনন্দময় ও রঙের উচ্ছ্বাসে ভরা। দোল বাংলায় বিশেষভাবে পালিত হয়, আর হোলি সারা ভারতে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। সংক্ষেপে বলা যায়, দোলপূর্ণিমা হলো ভক্তি ও প্রেমের উৎসব, আর হোলি হলো আনন্দ ও রঙের মিলনমেলা। 🌸🎨

Comments

Thank you visit again

Ipl2026

Narsari Manegement

Google user

Indian carence