Posts

Coming us...

Sun in our kundali

সূর্য—তোমার অন্তরে কে বসে আছে… রাজা না ভিখারি? সূর্য প্রতিদিন সকালে ওঠে। কিন্তু তুমি কি কখনো ভেবে দেখেছো… কী হবে যদি সূর্য একদিন তার নিজের আলো নিয়েই সন্দেহ করতে শুরু করে? সে আকাশে থেকে যাবে… কিন্তু পৃথিবী অন্ধকারে ডুবে যাবে। মানুষের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। যখন একজন মানুষ নিজের উপর বিশ্বাস হারায়, তখন বাইরে থেকে তার জীবন চলতে থাকলেও, ভেতর থেকে তা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে শুরু করে। সম্ভবত এই কারণেই বৈদিক ঋষিরা সূর্যকে শুধু একটি গ্রহ বলেননি। তাঁরা একে আত্মার কেন্দ্র বলেছেন। জ্যোতিষশাস্ত্রের ভাষায়, সূর্য হলো পিতা। কিন্তু মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, সূর্য হলো তোমার আত্মা—তোমার প্রকৃত সত্তা। সেই ব্যক্তি যাকে পৃথিবী কখনো দেখে না। তোমার সবচেয়ে বড় লড়াই পৃথিবীর সাথে নয়… বরং তোমার নিজের সূর্যের সাথে। মানুষ মনে করে তাদের শত্রু অন্য কেউ। কিন্তু না। সবচেয়ে বড় লড়াইটা হলো সেই অন্তরের কণ্ঠস্বরের সাথে, যা প্রতিটি ব্যর্থতার পর বলে— "তুমি যোগ্য নও..." এই মুহূর্তেই সূর্য দুর্বল হতে শুরু করে। আর যখন অন্তরের সূর্য দুর্বল হয়ে পড়ে... মানুষ অন্যের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে বাঁচতে শুরু...

Joy sri krishna

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরণ চিহ্ন দর্শন করে চলুন জেনে নেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৬৪ টি গুনের কথা। যা অসংখ্য ভক্তরাই জানেন না:- ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৬৪ গুনগুলি হল:— ❝ অয়ং নেতা সুরম্য-অঙ্গঃ সর্বসল্‌-লক্ষণান্বিতঃ। রুচিরঃ তেজসা যুক্তঃ বলীয়ান্ বয়সান্বিতঃ ॥ ❞ ‌ ━┉┈┈‌(চৈতন্যচরিতামৃত, মধ্য, ২৩/৭০) ◉ (১) সুরম্য-অঙ্গঃ (su-ramya-aṅgaḥ) — সুন্দর অঙ্গ। তাঁর সমস্ত শরীর অপূর্ব মাধুর্য মণ্ডিত (having the most beautiful transcendental body)। ◉ (২) সর্বসল্‌-লক্ষণান্বিতঃ (sarva-sal-lakṣaṇānvitaḥ) — সমস্ত শুভ শারীরিক লক্ষণ যুক্ত (all auspicious bodily marks)। ◉ (৩) রুচিরঃ (ruciraḥ) — নয়নতৃপ্তিকর সৌন্দর্য (possessing radiance very pleasing to the eyes)। ◉ (৪) তেজসা যুক্তঃ (tejasā yuktaḥ) — তেজীয়ান। জ্যোতির্ময় (effulgent)। ◉ (৫) বলীয়ান্ (balīyān) — মহা বলবান। সর্ব শক্তিমান (very strong)। ◉ (৬) বয়সান্বিতঃ (vayasa-anvitaḥ) — নিত্য নব-যৌবন সম্পন্ন। চির যৌবন সম্পন্ন। কিশোর (ever youthful)। ❝ বিবিধাদ্ভুত-ভাষাবিৎ সত্যবাক্যঃ প্রিয়ংবদঃ। বাবদূকঃ সুপাণ্ডিত্যো বুদ্ধিমান্ প্রতিভান্বিতঃ ॥ ❞ ‌ ...

Astrology note

দর্শন। পর্ব (১৩) 🌿 আজকে আলোচনা করি আত্মা ও অহংকারের পার্থক্য নিয়ে মানুষের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো—সে নিজেকে যা মনে করে, সে আসলে তা নয়। অহংকার বলে— "আমি বড়। আমি শ্রেষ্ঠ। আমার পরিচয়ই সব।" আত্মা বলে— "আমি চেতনা। আমি সত্যের অংশ।" অহংকার নিজের পরিচয় খোঁজে ধন, পদ, সৌন্দর্য, ক্ষমতা ও প্রশংসায়। আত্মা নিজের পরিচয় খোঁজে সত্য, প্রেম, করুণা ও জ্ঞানে। অহংকার সবসময় তুলনা করে— "আমি অন্যের চেয়ে কত বড়?" আত্মা উপলব্ধি করে— "আমরা সবাই একই চেতনার অংশ।" অহংকার ভয় পায় হারাতে। আত্মা জানে—যা সত্য, তা কখনও হারায় না। যেখানে অহংকার শেষ হয়, সেখান থেকেই আত্মজ্ঞান শুরু হয়। এবারে একটু ভেবে বলুন তো, আপনার সিদ্ধান্তগুলো কি আত্মার শান্তি থেকে আসে, নাকি অহংকারের তাড়না থেকে? — Hidden Symbol চিন্তার গভীরে, সত্যের সন্ধানে।ঘুরার নেশায় আমি আসক্ত 😳 আবার যে কবে যাবো 🤔 কেউ তো নিয়ে চলো 🤒 আমার ভালো লাগে না আর duty 😐

Basic homoeopathy

🌿 প্রয়োজনীয় ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ ও ২টি করে অদ্ভুত/বিরল লক্ষণ 1. Aconitum napellus - মৃত্যুভয় প্রবল। - ঠান্ডা শুষ্ক বাতাসে হঠাৎ অসুস্থতা। 2. Arnica montana - বলে, "আমি ভালো আছি, আমাকে ছুঁবেন না।" - বিছানা খুব শক্ত মনে হয়। 3. Arsenicum album - অল্প অল্প করে বারবার পানি পান। - গভীর রাতে (১–৩টা) উপসর্গ বাড়ে। 4. Belladonna - স্পন্দিত ব্যথা। - মাথা গরম, হাত-পা ঠান্ডা। 5. Bryonia alba - সামান্য নড়াচড়াতেই ব্যথা বাড়ে। - প্রচুর ঠান্ডা পানি খেতে চায়। 6. Nux vomica - অতিরিক্ত রাগী ও অতি সংবেদনশীল। - মলত্যাগের অকার্যকর বারবার বেগ। 7. Pulsatilla - কান্না করলে সান্ত্বনায় ভালো লাগে। - তৃষ্ণা প্রায় নেই। 8. Sulphur - পা বিছানার বাইরে বের করে রাখে। - গোসল অপছন্দ। 9. Calcarea carbonica - মাথায় অতিরিক্ত ঘাম। - ডিম খেতে খুব পছন্দ। 10. Lycopodium - বিকেল ৪–৮টার মধ্যে সমস্যা বাড়ে। - ক্ষুধা কম, কিন্তু অল্প খেলেই পেট ভরে। 11. Phosphorus - বরফ-ঠান্ডা পানির তীব্র ইচ্ছা। - একা থাকতে ভ...

Adina Morjid

আজকাল আদিনা মসজিদ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন এটি মসজিদ, কেউ বলছেন এটি মন্দির। কিন্তু এই দাবি কি সত্যিই নতুন? না। একেবারেই না। চলুন ফিরে যাই ১৯৩২ সালে। মালদার বারিন্দ অঞ্চলে তখন সাঁওতাল সমাজে একজন প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। নাম জিতু সাঁওতাল (আসল নাম জিতু হেমব্রম)। খোচাকান্দর গ্রামের এই সাধারণ সাঁওতাল নেতার ডাকে হাজার হাজার সাঁওতাল জড়ো হয়েছিল। তিনি জমিদারদের শোষণ, অতিরিক্ত খাজনা এবং জমি হারানোর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন। পাশাপাশি সাঁওতালদের হিন্দু সমাজে অন্তর্ভুক্ত করার একটা সামাজিক আন্দোলনও চালাচ্ছিলেন। ১৯৩২ সালের ডিসেম্বর। জিতু সাঁওতালের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক সাঁওতাল পাণ্ডুয়ায় পৌঁছে আদিনা মসজিদ দখল করে বসেন। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দেন— “এটা আদিনাথ মন্দির। মুসলমানরা এটাকে মসজিদ বানিয়েছে। আমরা এখানে কালীর পূজা করব।” তারা সেখানে পূজা শুরু করারও চেষ্টা করেন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: জিতু যখন মসজিদ দখল করেন, তখন এটি আর সক্রিয় মসজিদ ছিল না। ১৯শ শতাব্দীর ভূমিকম্পে মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক আগেই পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছিল। পাণ্ডুয়া শহরও ততদিনে জঙ্গলে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ সেখান...

Loard krishna

ভগবান শ্রী কৃষ্ণর ১০৮টি নাম 1. কৃষ্ণ (সর্বাকর্ষক)২. গোবিন্দ (গোধন ও ইন্দ্রিয়ের আনন্দদাতা)৩. গোপাল (গোপালক বা গোরক্ষক)৪. অচ্যুত (যিনি কখনো স্বস্থানচ্যুত হন না)৫. কেশব (যিনি ব্রহ্মা ও শিবের উৎস)৬. মাধব (মা বা লক্ষ্মীদেবীর পতি)৭. দামোদর (যাঁর উদরে যশোদা দাম বা দড়ি বেঁধেছিলেন)৮. মুকুন্দ (যিনি মুক্তি প্রদান করেন)৯. বিষ্ণু (সর্বব্যাপী)১০. মধূসূদন (মধু নামক অসুর বধকারী)১১. দ্বারকাধীশ (দ্বারকার অধীশ্বর)১২. শ্রীপতি (লক্ষ্মীর পতি)১৩. পিતાંবর (পীত বা হলুদ বস্ত্র পরিধানকারী)১৪. মুরারী (মুর নামক অসুর বিনাশকারী)১৫. বনমালী (বনফুলের মালা পরিধানকারী)১৬. পদ্মনাভ (যাঁর নাভি থেকে পদ্মফুল উৎপন্ন হয়েছে)১৭. হৃষীকেশ (ইন্দ্রিয়সমূহের অধিপতি)১৮. যাদবেন্দ্র (যাদব বংশের শ্রেষ্ঠ)১৯. যোগেশ্বর (যোগীদের ঈশ্বর)۲۰. দৈবকীনন্দন (দেবকীর পুত্র)২১. যশোদানন্দন (যশোদার পুত্র)২২. নন্দনন্দন (নন্দের পুত্র)২৩. গিরিধারী (যিনি গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন)২৪. গোপীনাথ (গোপীদের নাথ বা ঈশ্বর)২৫. রাধারমণ (রাধিকার প্রিয়তম)২৬. রাধা-বল্লভ (রাধার স্বামী বা প্রিয়)২৭. মোহন (যিনি ত্রিভুবনকে মোহিত করেন)২৮. মনোহর (যিনি মন হরণ করেন)২৯. শ্যা...