Coming us...

Aadhar Update

বাড়িতে বসেই হবে আধার কার্ডের কাজ! কারা পাবেন এই বিশেষ সুবিধা? জেনে নিন সম্পূর্ণ তথ্য আধার কার্ড তৈরি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আর সব সময় আধার কেন্দ্রে যাওয়ার প্রয়োজন নাও হতে পারে। UIDAI (Unique Identification Authority of India) বিশেষ কিছু নাগরিকের জন্য চালু করেছে Home Enrolment Service, যার মাধ্যমে অপারেটর বাড়িতে গিয়েই আধার সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করবেন। কী এই Home Enrolment Service? এই পরিষেবার মাধ্যমে নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা বাড়িতে বসেই— নতুন আধার কার্ডের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। আধারের নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখসহ অন্যান্য তথ্য সংশোধন বা আপডেট করতে পারবেন। প্রয়োজন হলে বায়োমেট্রিক তথ্যও আপডেট করা যাবে। কারা এই সুবিধা পাবেন? এই পরিষেবা সকলের জন্য নয়। মূলত যাঁদের শারীরিক অবস্থার কারণে আধার কেন্দ্রে যাওয়া সম্ভব নয়, তাঁদের জন্যই এই ব্যবস্থা। যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন— ✅ প্রবীণ নাগরিক ✅ শয্যাশায়ী রোগী ✅ গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি ✅ বিশেষভাবে সক্ষম (দিব্যাং) নাগরিক ✅ অন্যান্য এমন ব্যক্তি, যাঁদের পক্ষে আধার কেন্দ্রে যাওয়া সম্ভব নয় কত টাকা খরচ হবে? এই পরিষে...

False case

কোর্টে মিথ্যা মামলা করলে কী শাস্তি হতে পারে?
— সেখ শানাওয়াজ আলী | অ্যাডভোকেট | কলকাতা হাইকোর্ট
অনেকেই মনে করেন আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করলেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলা যায় এবং পরে প্রমাণ না হলেও তেমন কিছু হবে না। বাস্তবে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। আদালতে মিথ্যা অভিযোগ করা বা জেনে শুনে ভুয়া মামলা করা আইনত গুরুতর অপরাধ এবং তার শাস্তি রয়েছে।
বর্তমানে দণ্ডবিধির পরিবর্তে প্রযোজ্য হয়েছে Bharatiya Nyaya Sanhita, 2023। এই আইনে মিথ্যা প্রমাণ দেওয়া মিথ্যা তথ্য প্রদান করা বা কাউকে অপরাধে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। যদি কেউ জেনে শুনে এমন অভিযোগ করেন যা মিথ্যা এবং যার উদ্দেশ্য অন্যকে শাস্তির মুখে ফেলা তাহলে তা ফৌজদারি দায় তৈরি করতে পারে। গুরুতর অপরাধে মিথ্যা ফাঁসানোর ক্ষেত্রে শাস্তি আরও কঠোর হতে পারে।
আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা শপথভঙ্গ করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিচারপ্রক্রিয়ার সততা রক্ষা করা আদালতের অন্যতম দায়িত্ব এবং মিথ্যা সাক্ষ্য বিচারব্যবস্থার ভিত্তিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই আইন এই ধরনের আচরণকে কঠোরভাবে দেখে।
ফৌজদারি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক হলো Bharatiya Nagarik Suraksha Sanhita, 2023। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিদ্বেষপ্রসূত তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের কাছে উপযুক্ত প্রতিকার চাইতে পারেন। আদালত প্রয়োজনে মিথ্যা অভিযোগকারী বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রেও আদালত অসৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলা খারিজ করতে পারে এবং খরচ বা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারে। বিচারব্যবস্থাকে অপব্যবহার করা আদালত কখনোই সমর্থন করে না।
সুপ্রিম কোর্ট একাধিক ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ করেছে যে ফৌজদারি আইন ব্যক্তিগত প্রতিশোধের হাতিয়ার হতে পারে না এবং মিথ্যা অভিযোগের প্রবণতা রোধ করা জরুরি। বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখতে সত্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলা করা উচিত।
অতএব মিথ্যা মামলা করে কাউকে হয়রানি করার চেষ্টা করলে তা উল্টো নিজের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও দেওয়ানি দায় তৈরি করতে পারে। আইনকে অস্ত্র নয় ন্যায়বিচারের পথ হিসেবে ব্যবহার করাই উচিত।
Advocate Sourabhalder | Advocates & Solicitors |BNS2023 #BNSS2023 #FalseCase #Perjury #LegalAwareness

Comments

Thank you visit again

10 mohabidha

AnnapurnaYojana Problem solv

Brize top to wb