Coming us...

Facebook income

🚨 নতুন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য কিছু তিক্ত সত্য ও সতর্কতা! 🚨 যারা বর্তমানে ফেসবুকে নতুন করে কাজ শুরু করতে চাচ্ছেন বা কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ক্যারিয়ার গড়তে চাইছেন, তাদের জন্য কিছু বাস্তব কথা জানা খুব জরুরি। আবেগের বশবর্তী হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দয়া করে পুরোটা পড়ুন। ১. পেশা নয়, শখ হিসেবে নিন: বর্তমান সময়ে ফেসবুকে আয়ের পরিমাণ (RPM/CPM) অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই বেকার থেকে হুট করে ফেসবুকে এসে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না। আপনার বর্তমান চাকরি বা কাজের পাশাপাশি "অবসর সময়ে" এখানে কাজ করুন। #kbsujan ২. লোক দেখানো দাতা হতে যাবেন না: নিজেকে স্বচ্ছল বা "স্টার সেন্ডার" (Star Sender) হিসেবে প্রমাণ করতে গিয়ে পকেটের টাকা খরচ করবেন না। এটি আপনার জন্য বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। মনে রাখবেন, ভার্চুয়াল জগতের ইজ্জত বাড়াতে গিয়ে বাস্তব জীবনে দেউলিয়া হওয়া বোকামি। ৩. ফেসবুক আসক্তি ও একটি ট্র্যাজেডি: ভারতের আমাদের প্রিয় ভাই আবুল হাসান ( Abul Hasan ) এই ফেসবুকের নেশায় এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন যে, শেষমেশ নিজের জীবনটাকেই শেষ করে দিয়েছেন। এই ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দে...

Fish Farming all Nots

মাছের গায়ে বা শরীরে বিভিন্ন ধরণের পরজীবী বা প্যারাসাইট (Parasite) বাসা বাঁধতে পারে। এই পরজীবীগুলো মাছের পুষ্টি শুষে নিয়ে বেঁচে থাকে এবং মাছের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। ​অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে মাছের পরজীবীগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
১. বহিঃপরজীবী (Ectoparasites): এগুলো মাছের শরীরের বাইরের অংশে যেমন— ত্বক, আঁশ, পাখনা বা ফুলকায় (Gills) আক্রমণ করে।
২. অন্তঃপরজীবী (Endoparasites): এগুলো মাছের শরীরের ভেতরে যেমন— পাকস্থলী, অন্ত্র, যকৃৎ বা মাংসপেশীতে বসবাস করে। ​নিচে মাছের প্রধান প্রধান পরজীবীগুলোর ধরন আলোচনা করা হলো:
​১. প্রোটোজোয়া বা এককোষী পরজীবী (Protozoan Parasites) ​এগুলো অণুবীক্ষণীয় ছোট জীব। এগুলো সাধারণত মাছের ত্বক এবং ফুলকায় আক্রমণ করে। ​সাদা দাগ রোগ সৃষ্টিকারী (Ichthyophthirius multifiliis - সংক্ষেপে 'Ich'): এটি খুব সাধারণ একটি পরজীবী। আক্রান্ত মাছের সারা গায়ে লবণের দানার মতো ছোট ছোট সাদা বিন্দু দেখা যায়। মাছ খুব অস্বস্তি বোধ করে এবং গা চুলকানোর জন্য পাথরের সাথে শরীর ঘষে। ​ট্রাইকোডিনা (Trichodina): এগুলো চাকতির মতো দেখতে এক ধরণের এককোষী প্রাণী। এরা মাছের ত্বক ও ফুলকায় আক্রমণ করে। অতিরিক্ত শ্লেষ্মা (পিচ্ছিল পদার্থ) তৈরি হয় এবং মাছের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ​কসটিয়া (Costia / Ichthyobodo): এটিও ত্বক ও ফুলকায় আক্রমণ করে, যার ফলে ত্বকে নীলচে-ধূসর আস্তরণ পড়ে।
​২. কৃমি জাতীয় পরজীবী (Helminths/Worms) ​মাছে বিভিন্ন ধরণের কৃমি দেখা যায়। কিছু বাইরে থাকে, কিছু ভেতরে। ​ক) মনোজিনিয়ান (Monogeneans - ফ্লুক বা চ্যাপ্টা কৃমি): এরা সাধারণত বহিঃপরজীবী। ​ড্যাকটাইলোগাইরাস (Dactylogyrus): একে "ফুলকা কৃমি" (Gill Fluke) বলা হয়। এরা ফুলকায় আক্রমণ করে শ্বাসকষ্ট ঘটায়। ​গাইরোড্যাকটাইলাস (Gyrodactylus): একে "ত্বকের কৃমি" (Skin Fluke) বলা হয়। এরা মাছের ত্বকে ও পাখনায় আক্রমণ করে। ​খ) ডাইজিনিয়ান (Digeneans - ট্রেমাকোডা): এদের জীবনচক্র জটিল এবং একাধিক পোষক (host) দরকার হয়। অনেক সময় মাছ এদের মধ্যবর্তী পোষক হয়। ​কালো দাগ রোগ (Black Spot Disease): এক ধরণের কৃমির লার্ভা (metacercariae) মাছের চামড়ার নিচে বাসা বাঁধলে সেখানে কালো দাগের সৃষ্টি হয়। ​গ) ফিতা কৃমি (Cestodes / Tapeworms): এগুলো অন্তঃপরজীবী। মাছের অন্ত্রে (intestine) লম্বা ফিতার মতো এই কৃমিগুলো বাস করে এবং মাছের গ্রহণ করা খাদ্য থেকে পুষ্টি শুষে নেয়। ফলে মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে। ​ঘ) গোল কৃমি (Nematodes / Roundworms): এগুলো সুতার মতো দেখতে। এরা মাছের পাকস্থলী, অন্ত্র এমনকি মাংসপেশীতেও থাকতে পারে। কিছু সামুদ্রিক মাছের গোল কৃমি (যেমন- Anisakis) মানুষের শরীরেও সংক্রমিত হতে পারে যদি সেই মাছ কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ খাওয়া হয়।
​৩. ক্রাস্টেসিয়ান বা সন্ধিপদী পরজীবী (Crustacean Parasites) ​এগুলো তুলনামূলকভাবে বড় এবং খালি চোখে দেখা যায়। এগুলো মাছের জন্য খুবই ক্ষতিকর বহিঃপরজীবী। ​মাছের উকুন (Argulus / Fish Louse): এটি খুব সাধারণ একটি পরজীবী। দেখতে চ্যাপ্টা, গোলাকার এবং স্বচ্ছ। এরা মাছের গায়ে লেগে থেকে রক্ত চুষে খায়। এদের কামড়ের স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয় যা পরে ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। ​অ্যাংকর ওয়ার্ম বা নোঙর কৃমি (Lernaea / Anchor Worm): যদিও নামে 'ওয়ার্ম' বা কৃমি, কিন্তু এটি আসলে এক ধরণের কোপিপড (Copepod) ক্রাস্টেসিয়ান। স্ত্রী পরজীবীটি তার মাথা নোঙরের মতো মাছের মাংসপেশীতে গেঁথে দেয় এবং শরীরের বাকি অংশ সুতার মতো বাইরে ঝুলে থাকে।
​৪. জোঁক (Leeches) ​কিছু প্রজাতির জলজ জোঁক মাছের গায়ে লেগে রক্ত চুষে খায়। এরা রক্ত খাওয়ার পর শরীর থেকে খসে পড়ে, কিন্তু কামড়ের স্থানে ক্ষত রেখে যায়। ​সারসংক্ষেপ: মাছের গায়ে সাদা দাগ, উকুন, নোঙর কৃমি এবং ফুলকা কৃমি—এগুলোই সাধারণত বেশি দেখা যায়। মাছ চাষে এই পরজীবীগুলো বড় ধরণের অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

Comments

Thank you visit again

Utsapp not working

Mobile photo editor

Gmail name change

Indian tree