Coming us...

Online Free Corse WB

DIKSHA ও NISHTHA কোর্স: শিক্ষকদের জন্য সম্পূর্ণ সহজ গাইড বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় নিজেকে আপডেট রাখা এবং নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি শেখার জন্য DIKSHA Platform-এর বিভিন্ন NISHTHA কোর্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী জানতে চান, "কোর্সগুলো কীভাবে করব? কোথায় পাব? সার্টিফিকেট কীভাবে মিলবে?" — তাদের জন্য এই সহজ গাইড। DIKSHA কী? DIKSHA (Digital Infrastructure for Knowledge Sharing) হলো ভারতের শিক্ষা মন্ত্রকের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কোর্স রয়েছে। NISHTHA কী? NISHTHA (National Initiative for School Heads' and Teachers' Holistic Advancement) হলো শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি শেখানোর একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। ধাপ ১: DIKSHA App ডাউনলোড করুন Google Play Store থেকে দুটি অ্যাপ ইনস্টল করুন: DIKSHA App DIKSHA Courses App ধাপ ২: নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন DIKSHA App খুলে: Register / Sign Up-এ ক্লিক করুন মোবাইল নম্বর দিন OTP ভেরিফাই করুন নিজের পছন্...

You're vote your power

*যারা ভোট দিতে যাবেন, তাদের জন্য* ১। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাবেন না। সাইলেন্ট বা অফ করেও না। একান্ত নিতেই যদি হয়, সেটা কেন্দ্রীয় সি আর পি এফ এর কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখবেন। কোন অবস্থাতেই যেন মোবাইল নিয়ে বুথে ধরা না পড়েন। এবার এই নিয়ে নির্বাচন কমিশান খুবই কড়া। জেল হাজত হয়ে গেলে মুশকিল। ২। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে "আপকা ঘর কিধার হ্যায়?" বলে খেজুর জমাতে যাবেন না। লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। আপনার, ওদের-ও! ওদের নিজেদের কাজ করতে দিন। ৩। ভোটার আই কার্ড বা এপিক থাকলে সেটাই নিয়ে যান। আপনার পাসপোর্ট দেখিয়ে অতিরিক্ত সম্মান পাবেন না। যে পুজোর যে ফুল, সেটাই ব্যবহার করা ভাল। হাতের কাছে না থাকলে যে কটা লিস্টে আছে, সেগুলোই নিয়ে যান। এর বাইরে অন্য কিছু নিয়ে ভিতরে ফার্স্ট পোলিং-এর সঙ্গে তর্ক জুড়বেন না। গতবার এই হয়েছিল, সেই হয়েছিল বলে। এবারের নিয়ম এবারে। ৪। নিজের অংশ নম্বর আর লিস্টের আনমার্কড কপি (যেটা বাইরে ঝুলানো থাকে) তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন। তাহলে আপনারই সুবিধে! ৫। পার্টির দেওয়া কাগজের প্রচার অংশটা বাড়ি থেকেই ছিঁড়ে নেবেন। ভোটকেন্দ্রে ছিড়বেন না। নোংরা করবেন না। আর সেটা নিয়ে বুথে তো ঢুকবেনই না। কেউ কমপ্লেন করলে আপনি ফাঁসবেন। ৬। আপনার ভোট করাতেই সবাই রাত জেগে বসে আছেন। তাই ভিতরে গিয়ে তাড়াহুড়ো করবেন না। বয়ষ্ক মানুষদের, গর্ভবতী মহিলাদের আগে ছেড়ে দিন। ৭। ভোট দিয়ে ভিভিপ্যাটের কাগজ দেখে তবেই বাইরে বেরোন। বেরিয়ে আবার "যাই কাগজ দেখি" বলে ভিতরে ঢুকবেন না। একবার ভিতর থেকে বেরুলে আর ঢোকা যায় না সিসিটিভি কিন্তু চালু আছে! ৮। প্রার্থীর মুখটা বোতাম না। বোতাম পাশে আছে। নীল রঙের। তাতে চাপ দিন। একবার। আবার বলছি একবার দিলেও যা হবে, দশবার দিলেও তাই হবে। দয়া করে প্রার্থীর মুখে চাপ দিয়ে "মেশিন কাজ করছে না" বলে অশান্তি করবেন না। যে আঙুল দিয়ে হয়ত ফর্ম ১৭ এর খাতায় টিপ ছাপ দিয়েছেন, তা দিয়ে ব্যালট ইউনিট ধরে নোংরা করবেন না। ৯। লাইনে দাঁড়িয়ে কারও সঙ্গে কোন রাজনৈতিক আলোচনা করবেন না। আপনার প্রজ্ঞা বাইরে গিয়ে দেখান! ১০। প্রিসাইডিং অফিসার চেনা হলেও তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসার দরকার নেই। আপনি তাঁর সুবিধার চেয়ে অসুবিধার কারণ হবেন। ১১। আপনি নিজেও যে বহুবার ভোট করিয়েছেন কিংবা এজেন্ট থেকেছেন, তা নিয়ে ভোটকক্ষে গিয়ে ফলাও করে না বল্লেও চলবে। ভিতরে ঢুকে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। এজেন্টদের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেবেন না। "এই তো আজ দুকেজি মাংস কিনে ফিরলাম" শুনতে কেউ আগ্রহী না। ১২। সবচেয়ে বড় কথা ভোটকর্মীদের কথা শুনুন। নিয়ম বছর বছর বদলায়। আপনি আপডেটেড না। ওরা ক্লাস করে এসেছেন। ওরা যা বলছেন সেটাই মেনে চলুন। অক্ষরে অক্ষরে। ১৩। অমোচনীয় কালির যে ব্রাশটা দেওয়া হয় সেটা ক্যামেল কোম্পানির মাপা তুলি না। কালি নিজের ইচ্ছে মত ওঠে আর থেবড়ে যায়। সেকেন্ড পোলিং আপনার শত্রু না, আর কালিও বেশি হয়নি যে "ইচ্ছে করে হাতে বেশি বেশি কালি" লাগাবে। এই নিয়ে তার সঙ্গে তর্ক করবেন না! ১৪। ভোট কেমন হচ্ছে? বা কত পার্সেন্ট ভোট পড়ল? সেটা সেক্টর আর প্রিসাইডিং অফিসারের মাথাব্যথা। এ নিয়ে অহেতুক প্রশ্ন করে তাদের উত্যক্ত করবেন না। নিজের ভোট নিজে দিন। শান্তিতে ভোট দিন। ভাল থাকবেন। (সংগৃহীত) #followervotarElection #electionnewsElectionCommision #যারা_ভোট_দিতে_যাবেন, তাদের জন্য ------------------------------------------------------- ১। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাবেন না। সাইলেন্ট বা অফ করেও না। একান্ত নিতেই যদি হয়, সেটা কেন্দ্রীয় সি আর পি এফ এর কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখবেন। কোন অবস্থাতেই যেন মোবাইল নিয়ে বুথে ধরা না পড়েন। এবার এই নিয়ে নির্বাচন কমিশান খুবই কড়া। জেল হাজত হয়ে গেলে মুশকিল। ২। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে "আপকা ঘর কিধার হ্যায়?" বলে খেজুর জমাতে যাবেন না। লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। আপনার, ওদের-ও! ওদের নিজেদের কাজ করতে দিন। ৩। ভোটার আই কার্ড বা এপিক থাকলে সেটাই নিয়ে যান। আপনার পাসপোর্ট দেখিয়ে অতিরিক্ত সম্মান পাবেন না। যে পুজোর যে ফুল, সেটাই ব্যবহার করা ভাল। হাতের কাছে না থাকলে যে কটা লিস্টে আছে, সেগুলোই নিয়ে যান। এর বাইরে অন্য কিছু নিয়ে ভিতরে ফার্স্ট পোলিং-এর সঙ্গে তর্ক জুড়বেন না। গতবার এই হয়েছিল, সেই হয়েছিল বলে। এবারের নিয়ম এবারে। ৪। নিজের অংশ নম্বর আর লিস্টের আনমার্কড কপি (যেটা বাইরে ঝুলানো থাকে) তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন। তাহলে আপনারই সুবিধে! ৫। পার্টির দেওয়া কাগজের প্রচার অংশটা বাড়ি থেকেই ছিঁড়ে নেবেন। ভোটকেন্দ্রে ছিড়বেন না। নোংরা করবেন না। আর সেটা নিয়ে বুথে তো ঢুকবেনই না। কেউ কমপ্লেন করলে আপনি ফাঁসবেন। ৬। আপনার ভোট করাতেই সবাই রাত জেগে বসে আছেন। তাই ভিতরে গিয়ে তাড়াহুড়ো করবেন না। বয়ষ্ক মানুষদের, গর্ভবতী মহিলাদের আগে ছেড়ে দিন। ৭। ভোট দিয়ে ভিভিপ্যাটের কাগজ দেখে তবেই বাইরে বেরোন। বেরিয়ে আবার "যাই কাগজ দেখি" বলে ভিতরে ঢুকবেন না। একবার ভিতর থেকে বেরুলে আর ঢোকা যায় না সিসিটিভি কিন্তু চালু আছে! ৮। প্রার্থীর মুখটা বোতাম না। বোতাম পাশে আছে। নীল রঙের। তাতে চাপ দিন। একবার। আবার বলছি একবার দিলেও যা হবে, দশবার দিলেও তাই হবে। দয়া করে প্রার্থীর মুখে চাপ দিয়ে "মেশিন কাজ করছে না" বলে অশান্তি করবেন না। যে আঙুল দিয়ে হয়ত ফর্ম ১৭ এর খাতায় টিপ ছাপ দিয়েছেন, তা দিয়ে ব্যালট ইউনিট ধরে নোংরা করবেন না। ৯। লাইনে দাঁড়িয়ে কারও সঙ্গে কোন রাজনৈতিক আলোচনা করবেন না। আপনার প্রজ্ঞা বাইরে গিয়ে দেখান! ১০। প্রিসাইডিং অফিসার চেনা হলেও তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসার দরকার নেই। আপনি তাঁর সুবিধার চেয়ে অসুবিধার কারণ হবেন। ১১। আপনি নিজেও যে বহুবার ভোট করিয়েছেন কিংবা এজেন্ট থেকেছেন, তা নিয়ে ভোটকক্ষে গিয়ে ফলাও করে না বল্লেও চলবে। ভিতরে ঢুকে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। এজেন্টদের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেবেন না। "এই তো আজ দুকেজি মাংস কিনে ফিরলাম" শুনতে কেউ আগ্রহী না। ১২। সবচেয়ে বড় কথা ভোটকর্মীদের কথা শুনুন। নিয়ম বছর বছর বদলায়। আপনি আপডেটেড না। ওরা ক্লাস করে এসেছেন। ওরা যা বলছেন সেটাই মেনে চলুন। অক্ষরে অক্ষরে। ১৩। অমোচনীয় কালির যে ব্রাশটা দেওয়া হয় সেটা ক্যামেল কোম্পানির মাপা তুলি না। কালি নিজের ইচ্ছে মত ওঠে আর থেবড়ে যায়। সেকেন্ড পোলিং আপনার শত্রু না, আর কালিও বেশি হয়নি যে "ইচ্ছে করে হাতে বেশি বেশি কালি" লাগাবে। এই নিয়ে তার সঙ্গে তর্ক করবেন না! ১৪। ভোট কেমন হচ্ছে? বা কত পার্সেন্ট ভোট পড়ল? সেটা সেক্টর আর প্রিসাইডিং অফিসারের মাথাব্যথা। এ নিয়ে অহেতুক প্রশ্ন করে তাদের উত্যক্ত করবেন না। নিজের ভোট নিজে দিন। শান্তিতে ভোট দিন। ভাল থাকবেন। সংগৃহীত। #facebookpostシ #beauty #viralpost

Comments

Thank you visit again

Ayushman bharat

Pm madical card

Bishokarma yojona

Sanchar sathi compliant