Coming us...

Dodo

ডোডো পাখির বিলুপ্তির আসল কারণ প্রদত্ত উৎসটি ডোডো পাখির ইতিহাসকে একটি সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করে। এটি প্রমাণ করে যে ডোডো পাখির বিলুপ্তি তাদের কোনো নির্বুদ্ধিতার প্রমাণ নয়, বরং তাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে মানুষের চালানো নিষ্ঠুরতার ইতিহাস। • প্রাকৃতিক পরিবেশ: মরিশাস দ্বীপে কোনো শিকারি প্রাণী না থাকায় ডোডোরা উড়তে শেখেনি। • ভুল বিশ্বাস: ডাচ নাবিকদের তারা শত্রু না ভেবে বন্ধু মনে করেছিল। • মানুষের নিষ্ঠুরতা: নাবিকরা নির্বিচারে এই নিরীহ পাখিদের শিকার করে। • বাস্তুতান্ত্রিক বিপর্যয়: মানুষের আনা ইঁদুর ও শূকর ডোডোদের ডিম ধ্বংস করে দেয়। • চূড়ান্ত পরিণতি: মানুষের এই হস্তক্ষেপের ফলে একটি প্রজাতি চিরতরে হারিয়ে যায়। অসম্পূর্ণ বাক্যের সমাপ্তি:উৎসটির শেষ লাইনটি পূর্ণাঙ্গ করলে দাঁড়ায়—এই লেখাটি মানুষের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে একটি কঠোর সতর্কবার্তা, যা দেখায় কীভাবে একটি প্রজাতির বিলুপ্তি পুরো বাস্তুতন্ত্রকে বিপর্যস্ত বা ধ্বংস করে দিতে পারে। আপনি কি এই বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কোনো প্রবন্ধ, উপস্থাপনা (Presentation) বা ছোট গল্প তৈরি করতে চান? আমাকে জানালে আমি আপনাকে সেটি লিখে দিতে পার...

Adina Morjid

আজকাল আদিনা মসজিদ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন এটি মসজিদ, কেউ বলছেন এটি মন্দির। কিন্তু এই দাবি কি সত্যিই নতুন?
না। একেবারেই না। চলুন ফিরে যাই ১৯৩২ সালে। মালদার বারিন্দ অঞ্চলে তখন সাঁওতাল সমাজে একজন প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। নাম জিতু সাঁওতাল (আসল নাম জিতু হেমব্রম)। খোচাকান্দর গ্রামের এই সাধারণ সাঁওতাল নেতার ডাকে হাজার হাজার সাঁওতাল জড়ো হয়েছিল। তিনি জমিদারদের শোষণ, অতিরিক্ত খাজনা এবং জমি হারানোর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন। পাশাপাশি সাঁওতালদের হিন্দু সমাজে অন্তর্ভুক্ত করার একটা সামাজিক আন্দোলনও চালাচ্ছিলেন।
১৯৩২ সালের ডিসেম্বর। জিতু সাঁওতালের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক সাঁওতাল পাণ্ডুয়ায় পৌঁছে আদিনা মসজিদ দখল করে বসেন। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দেন— “এটা আদিনাথ মন্দির। মুসলমানরা এটাকে মসজিদ বানিয়েছে। আমরা এখানে কালীর পূজা করব।” তারা সেখানে পূজা শুরু করারও চেষ্টা করেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: জিতু যখন মসজিদ দখল করেন, তখন এটি আর সক্রিয় মসজিদ ছিল না। ১৯শ শতাব্দীর ভূমিকম্পে মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক আগেই পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছিল। পাণ্ডুয়া শহরও ততদিনে জঙ্গলে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ সেখানে নিয়মিত নামাজ হতো না। এটি ধ্বংসাবশেষ অবস্থায় পড়েছিল। মালদা জেলায় তখন মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য ছিল (১৯৩১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জেলায় প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি বা তার বেশি)। কিন্তু আদিনা মসজিদের আশেপাশের বারিন্দ এলাকায় সাঁওতালদের উপস্থিতি বেশি ছিল এবং মসজিদটি নিজেই পরিত্যক্ত ধ্বংসাবশেষ ছিল। প্রশাসন বাহিনী পাঠায়। সংঘর্ষ বাধে। জিতু সাঁওতালসহ কয়েকজন সাঁওতাল সেখানেই নিহত হন। এটাই আদিনা মসজিদকে “আদিনাথ মন্দির” বলে দাবি করার প্রথম নথিভুক্ত ও সংগঠিত ঘটনা। তারপর প্রায় ৯০ বছর বিষয়টি তেমন আলোচনায় আসেনি। ২০২২ সাল থেকে আবার নতুন করে উঠে এসেছে।
তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়— ১৯৩২ সালে এক সাঁওতাল নেতা যে দাবি করেছিলেন, আজ ৯০ বছর পর সেই দাবি কেন আবার এত জোরালো হয়ে উঠল?
আপনি কী মনে করেন? মন্তব্যে জানান। ভদ্রভাবে এবং তথ্যের ভিত্তিতে।

Comments

Thank you visit again

Juvosathi status

Computer shortkut key for all

Brize top to wb

Cust certificate making