Coming us...

Dodo

ডোডো পাখির বিলুপ্তির আসল কারণ প্রদত্ত উৎসটি ডোডো পাখির ইতিহাসকে একটি সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করে। এটি প্রমাণ করে যে ডোডো পাখির বিলুপ্তি তাদের কোনো নির্বুদ্ধিতার প্রমাণ নয়, বরং তাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে মানুষের চালানো নিষ্ঠুরতার ইতিহাস। • প্রাকৃতিক পরিবেশ: মরিশাস দ্বীপে কোনো শিকারি প্রাণী না থাকায় ডোডোরা উড়তে শেখেনি। • ভুল বিশ্বাস: ডাচ নাবিকদের তারা শত্রু না ভেবে বন্ধু মনে করেছিল। • মানুষের নিষ্ঠুরতা: নাবিকরা নির্বিচারে এই নিরীহ পাখিদের শিকার করে। • বাস্তুতান্ত্রিক বিপর্যয়: মানুষের আনা ইঁদুর ও শূকর ডোডোদের ডিম ধ্বংস করে দেয়। • চূড়ান্ত পরিণতি: মানুষের এই হস্তক্ষেপের ফলে একটি প্রজাতি চিরতরে হারিয়ে যায়। অসম্পূর্ণ বাক্যের সমাপ্তি:উৎসটির শেষ লাইনটি পূর্ণাঙ্গ করলে দাঁড়ায়—এই লেখাটি মানুষের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে একটি কঠোর সতর্কবার্তা, যা দেখায় কীভাবে একটি প্রজাতির বিলুপ্তি পুরো বাস্তুতন্ত্রকে বিপর্যস্ত বা ধ্বংস করে দিতে পারে। আপনি কি এই বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কোনো প্রবন্ধ, উপস্থাপনা (Presentation) বা ছোট গল্প তৈরি করতে চান? আমাকে জানালে আমি আপনাকে সেটি লিখে দিতে পার...

Rainbo

ছবিদুটো দেখতে যতটা সুন্দর, এর পেছনের ঘটনাটা ততটাই ভয়াবহ!!

সারাজীবন বইপত্রে পড়েছেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনে উৎপন্ন হওয়া CFC বা ক্লোরোফ্লুরো কার্বন পরিবেশের জন্য, আমাদের গ্রহের জন্য ক্ষতিকারক। কেন ক্ষতিকারক?? কারণ, এই জিনিস আমাদের বায়ুমন্ডলের ওজন স্তরকে ধ্বংস করে ফেলে।
ওজন স্তর জিনিসটা হলো পৃথিবীর ফিল্টার। সূর্য থেকে আসা আলোকরশ্মি যখন পৃথিবীতে ঢোকে, তখন সেই আলোর মধ্যে থাকা অতিবেগুণি রশ্মিকে ফিল্টার করে আটকে দেয়াই ওজন স্তরের কাজ। অতিবেগুণি রশ্মি যদি ওজন স্তরবিহীন পৃথিবীতে সরাসরি ঢুকে যায়, আপনার সিভিয়ার স্কিন ড্যামেজ হবে, স্কিন ক্যান্সার হবে, আপনি অন্ধ হয়ে যাবেন, আপনার ইমিউন সিস্টেম ধ্বংস হয়ে যাবে।
পৃথিবীতে থাকা সবগুলো জীবের ডিএনএ ড্যামেজ হবে, পানিতে থাকা সমস্ত ফাইটোপ্ল্যাংকটন মারা যাবে, আমাদের যত ধান গম পাটগাছ আছে, সবার গ্রোথ বন্ধ হয়ে যাবে।
এবার ছবিদুটো আবার ভালো করে দেখেন। CFC যখন আমাদের ওজন স্তরকে ভেঙে ধ্বং, স করে ফেলতে থাকে, এই সুন্দর দৃশ্যের অবতারণাটা তখনই হয়। ঘটনাটা আমাদের চোখে সুন্দর, অথচ পৃথিবীর জন্য ধ্বং'সা' ত্মক।
ঘটনাটার সাথে মানুষের জীবনের একটা অদ্ভুত মিল আছে। প্রচুর মানুষের রিলেশনশিপ বাইরে থেকে দেখতে ঠিক এরকম সুন্দর লাগে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যে-ই দেখে, সে-ই হয়তো মুগ্ধদৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলে ফেলে, "বাহ্, এমন চমৎকার ভালোবাসাও মানুষের জীবনে থাকে!! এরকম প্রেম যেন সবসময় দেখার সৌভাগ্য হয় আমাদের।"
বাস্তবে হয়তো মানুষ দুইটার রিলেশনশিপ এতটাই টক্সিক যে একজন আরেকজনের জীবনকে ভেঙে, ইনার পিস ন'ষ্ট করে খেয়ে ফেলছে CFC এর মতো। ভেঙে যাওয়ার সময় ওজোনস্তর যেমন কোনো শব্দ করছে না, তেমনিভাবে যেই মানুষটার জীবনীশক্তি বিনাশ হয়ে যাচ্ছে এবিউজিভ রিলেশনশিপটার কারণে, তিনিও কোনো শব্দ বা অভিযোগ কোনোটাই করছেন না। ক্ষয়ে যাচ্ছেন শুধুই নীরবে।
এজন্য বাইরে থেকে খুব সুন্দর কোনো সম্পর্ক দেখলেই ভাবার কোনো কারণ নেই, সেখানে খুব ভালো কিছু হচ্ছে, তারা আসলেই অনেক সুখে আছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় তো অবশ্যই বিশ্বাস করা উচিৎ না। এই জায়গায় মানুষের হাসিটা পর্যন্ত নকল হয়!!
পৃথিবীটা খুব বিচিত্র জায়গা। আপনি হয়তো তাকিয়ে দেখছেন দুটো মানুষের স্বর্গীয় রঙিন সুখী প্রেম। কিন্তু আপনি জানেনও না, ভেতরে ভেতরে সেখানে চলছে ওজোনস্তর ভা'ঙা'র খেলা!!

Comments

Thank you visit again

Juvosathi status

Computer shortkut key for all

Brize top to wb

Cust certificate making