Coming us...

28=30

🔥 মোবাইল রিচার্জ নিয়ে বড় আলোচনা! 📱🇮🇳 এখন কি সত্যিই সময় এসে গেছে— 👉 ২৮ দিনের বদলে পুরো ৩০ দিনের রিচার্জ চালু করার? 👉 আর সারা বছরের জন্য সাশ্রয়ী বা ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়ার? দেশজুড়ে এই বিষয়গুলো নিয়ে নানা মতামত ও আলোচনা দেখা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, এতে সাধারণ মানুষের খরচ কিছুটা কমতে পারে, আবার কেউ কেউ এটিকে বাস্তবায়নযোগ্য কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। 🤔 আপনার মতামত কী? এমন পরিবর্তন কি সত্যিই সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি আনবে, নাকি এটা শুধু আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে? 💬 আপনার মতামত জানাতে কমেন্ট করুন “YES” যদি আপনি ৩০ দিনের রিচার্জ ও সাশ্রয়ী/ফ্রি ইন্টারনেট সমর্থন করেন। 👍 পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে আরও মানুষের মতামত জানা যায়। 📌 বিঃদ্রঃ এই পোস্টটি বিভিন্ন জনমত ও চলমান আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি। এটি কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য নয়। ⚠️ Disclaimer: এই পোস্টটি শুধুমাত্র সামাজিক সচেতনতা ও জনস্বার্থে মতামত প্রকাশের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এখানে উল্লিখিত মতামত কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে নয়। সকল তথ্য সাধারণ আলোচনার ভিত্তিতে উপস্থাপিত, এবং এটি কোনো বিভ্রা...

Rainbo

ছবিদুটো দেখতে যতটা সুন্দর, এর পেছনের ঘটনাটা ততটাই ভয়াবহ!!

সারাজীবন বইপত্রে পড়েছেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনে উৎপন্ন হওয়া CFC বা ক্লোরোফ্লুরো কার্বন পরিবেশের জন্য, আমাদের গ্রহের জন্য ক্ষতিকারক। কেন ক্ষতিকারক?? কারণ, এই জিনিস আমাদের বায়ুমন্ডলের ওজন স্তরকে ধ্বংস করে ফেলে।
ওজন স্তর জিনিসটা হলো পৃথিবীর ফিল্টার। সূর্য থেকে আসা আলোকরশ্মি যখন পৃথিবীতে ঢোকে, তখন সেই আলোর মধ্যে থাকা অতিবেগুণি রশ্মিকে ফিল্টার করে আটকে দেয়াই ওজন স্তরের কাজ। অতিবেগুণি রশ্মি যদি ওজন স্তরবিহীন পৃথিবীতে সরাসরি ঢুকে যায়, আপনার সিভিয়ার স্কিন ড্যামেজ হবে, স্কিন ক্যান্সার হবে, আপনি অন্ধ হয়ে যাবেন, আপনার ইমিউন সিস্টেম ধ্বংস হয়ে যাবে।
পৃথিবীতে থাকা সবগুলো জীবের ডিএনএ ড্যামেজ হবে, পানিতে থাকা সমস্ত ফাইটোপ্ল্যাংকটন মারা যাবে, আমাদের যত ধান গম পাটগাছ আছে, সবার গ্রোথ বন্ধ হয়ে যাবে।
এবার ছবিদুটো আবার ভালো করে দেখেন। CFC যখন আমাদের ওজন স্তরকে ভেঙে ধ্বং, স করে ফেলতে থাকে, এই সুন্দর দৃশ্যের অবতারণাটা তখনই হয়। ঘটনাটা আমাদের চোখে সুন্দর, অথচ পৃথিবীর জন্য ধ্বং'সা' ত্মক।
ঘটনাটার সাথে মানুষের জীবনের একটা অদ্ভুত মিল আছে। প্রচুর মানুষের রিলেশনশিপ বাইরে থেকে দেখতে ঠিক এরকম সুন্দর লাগে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যে-ই দেখে, সে-ই হয়তো মুগ্ধদৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলে ফেলে, "বাহ্, এমন চমৎকার ভালোবাসাও মানুষের জীবনে থাকে!! এরকম প্রেম যেন সবসময় দেখার সৌভাগ্য হয় আমাদের।"
বাস্তবে হয়তো মানুষ দুইটার রিলেশনশিপ এতটাই টক্সিক যে একজন আরেকজনের জীবনকে ভেঙে, ইনার পিস ন'ষ্ট করে খেয়ে ফেলছে CFC এর মতো। ভেঙে যাওয়ার সময় ওজোনস্তর যেমন কোনো শব্দ করছে না, তেমনিভাবে যেই মানুষটার জীবনীশক্তি বিনাশ হয়ে যাচ্ছে এবিউজিভ রিলেশনশিপটার কারণে, তিনিও কোনো শব্দ বা অভিযোগ কোনোটাই করছেন না। ক্ষয়ে যাচ্ছেন শুধুই নীরবে।
এজন্য বাইরে থেকে খুব সুন্দর কোনো সম্পর্ক দেখলেই ভাবার কোনো কারণ নেই, সেখানে খুব ভালো কিছু হচ্ছে, তারা আসলেই অনেক সুখে আছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় তো অবশ্যই বিশ্বাস করা উচিৎ না। এই জায়গায় মানুষের হাসিটা পর্যন্ত নকল হয়!!
পৃথিবীটা খুব বিচিত্র জায়গা। আপনি হয়তো তাকিয়ে দেখছেন দুটো মানুষের স্বর্গীয় রঙিন সুখী প্রেম। কিন্তু আপনি জানেনও না, ভেতরে ভেতরে সেখানে চলছে ওজোনস্তর ভা'ঙা'র খেলা!!

Comments

Thank you visit again

Fee service

Computer tips for all pc user

Lost your mobilephone

New rule tax