অনেকেই জানে না যে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী আসলে কে! পুরো হিস্ট্রি দিয়ে দিলাম এক নজরে দেখে নিন। 🟢 1951 Syama Prasad Mukherjee ↓ স্থাপন করেন ↓ Bharatiya Jana Sangh (জনসংঘ) ↓ ↓ 🟡 1977 জনসংঘ + অন্যান্য দল ↓ মিলিত হয়ে গঠন ↓ Janata Party ↓ ↓ 🔴 1980 জনতা পার্টি ভেঙে যায় ↓ Atal Bihari Vajpayee + Lal Krishna Advani ↓ গঠন করেন ↓ Bharatiya Janata Party (BJP) ↓ ↓ 🔵 2014–বর্তমান Narendra Modi ↓ BJP = ভারতের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি 🙏🚩🙏
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
Bio Data / CV
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
-
বায়ো ডাটা কি?
বায়োডাটা মানে হল জীবন বৃত্তান্ত। আমরা অনেক সময় তিনটি বিষয়কে এক করে ফেলি - Bio Data, Resume, Curriculum Vitae. যদিও এগুলো অনেকটা একই রকম এবং কাছাকাছি অর্থ বহন করে। তারপরও এদের কিছু ভিন্নতা আছে।
Also known as biographical data, a biodata typically includes a range of specific factual information about an individual.
বায়ো ডাটা ব্যাবহার কি ?
Bio Data - (Biographical Details) বা জীবন বৃত্তান্ত। আমার মতে এখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এই ব্যাপারগুলো আসবে।
Resume - কারো শিক্ষা, যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতার একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণী। এর সাধারণত দুইটা অংশ থাকে। প্রথম অংশে Career Objective থাকে। আর পরের অংশে আপনার বাদবাকি তথ্য। চাকরীর ক্ষেত্রে এটাই বেশী ব্যবহৃত হয়।
Start off with an Objective or Summary. This is what appears at the very top of your biodata format.
Include Personal Information. In contrast to the previous section, this one doesn't leave much room for creativity.
Show Off Your Education.
Prove Your Experience Is Better.
Curriculum Vitae - অনেকটা Resume এর মতই। কিন্তু কিছুটা বিস্তারিত। মানে Resume এর চাইতে একটু বড় হয়। এটা সাধারণত Job Application এর সাথে পাঠানো হয়। সাধারণত ২/৩ পৃষ্ঠা হয়ে থাকে। আপনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, এচিভমেন্টস, কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, এওয়ার্ডস, পাবলিকেশন্স সহ যা যা আছে এটাতে উল্লেখ করতে পারবেন। সাধারণত হাই প্রোফাইল লোক চায় এ ধরণের কাজে আবেদনের ক্ষেত্রে CV ব্যবহার করাটাই উত্তম।
আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন। ধন্যবাদ।
Click full video link
https://sourabhalder.eu.org
বাংলার পুরুষকে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা আর্থিক সহায়তার ' যুবশক্তি ভাণ্ডার' প্রকল্পে আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। কারা সুবিধাে পারেন? পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী পুরুষ/মহিলা বাসিন্দা বয়স ২৫ বছরের বেশি হবে পবিবারের আয় নির্দিষ্ট সীমার হতে হবে ব্যাঙক একাউন্ট ও মোবাইল নম্বর সক্রিয় হতে হবে আধার ও ভোটার তথ্য মিল থাকা জরুরি আপনার তালিকাটি নিচে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেওয়া হলো: প্রয়োজনীয় নথিপত্র: আধার কার্ড (Aadhaar Card) - (নিজেস্ব) ভোটার কার্ড (Voter ID Card) - (পরিচয়পত্র হিসেবে) ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতা - (যাতে অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং IFSC কোড স্পষ্ট থাকে) আয়ের প্রমাণপত্র (Income Certificate) - (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) মোবাইল নম্বর - (সচল এবং আধার কার্ডের সাথে লিঙ্ক থাকলে ভালো) পাসপোর্ট সাইজ ছবি - (সাধারণত রঙিন) বিশেষ দ্রষ্টব্য: সবগুলো নথির ফটো কপি (Photocopy) বা জেরক্স-এ নিজের সই বা "Self Attested" করে জমা দেবেন। মাসিক/ত্রৈমাসিক সেটেলমেন্ট: সেবির (rbi) নিয়ম অনুযায়ী, ব্রোকাররা প্রতি মাসের বা ত্রৈমাসিকের শুরুতে অব্যবহৃত অর্থ ব্যবহারকারীর ব্যাংক অ্যাকাউ...
🚆 রেলওয়ের নতুন রিফান্ড নিয়ম! 🚆 indian railway act 2026 ac non ac train tricket new rule... ট্রেন টিকিট ক্যানসেল করার সময়ের উপর নির্ভর করে কত টাকা ফেরত পাবেন—জেনে নিন সহজভাবে 👇 ⏰ ক্যানসেল করার সময় বনাম রিফান্ড: 🔴 ৮ ঘণ্টার কম আগে 👉 কোনো রিফান্ড নেই (০ টাকা) 🟠 ২৪ ঘণ্টা – ৮ ঘণ্টার মধ্যে 👉 প্রায় ৫০% রিফান্ড 🟡 ৭২ ঘণ্টা – ২৪ ঘণ্টার মধ্যে 👉 প্রায় ৭৫% রিফান্ড 🟢 ৭২ ঘণ্টার আগে 👉 প্রায় পুরো টাকা ফেরত 💰 ⚠️ ভ্রমণের আগে পরিকল্পনা করে টিকিট ক্যানসেল করলে বেশি টাকা ফেরত পাওয়া যাবে—এই বিষয়টা মাথায় রাখুন! 👉 এই তথ্যটা সবার সাথে শেয়ার করুন যাতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয় 🙌 #IndianRailways #TrainTicket #RefundRules #TravelTips #RailwayUpdate #IndiaTravel #UsefulInfo #TrendingNews
টাইম ট্র্যাভেল কেন অসম্ভব? : স্থানের মানচিত্র ও কালের বাস্তবতা, ভবিষ্যতের আপেক্ষিক যাত্রা। ( Why Time Travel is Impossible? : The Map of Spacetime versus the Reality of Time, and Relative Journeys to the Future) স্থান-কাল হলো একটি গাণিতিক মানচিত্র, কোনো বাস্তব জায়গা নয়। টাইম ট্র্যাভেল কেন সম্ভব নয়, তার উত্তর খুঁজতে গেলে এই মৌলিক সত্যটি বুঝতে হবে। বিজ্ঞানীরা যখন স্থান-কালের কথা বলেন, তখন তাঁরা মূলত মহাবিশ্বের সমস্ত অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ঘটনাগুলোকে একত্রে চারটি মাত্রা (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা এবং সময়) জুড়ে একটি জ্যামিতিক নকশা হিসেবে উপস্থাপন করেন। এই নকশাটিকে কল্পনা করুন একটি বিশাল ডায়েরি হিসেবে, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তের ছবি আঁকা আছে। এটিই হলো স্থান-কালের মানচিত্র। সাধারণ মানুষের এবং এমনকি কিছু বিজ্ঞানীর ভুল ধারণা হলো, এই মানচিত্রের প্রতিটি অংশ (অতীত ও ভবিষ্যৎ) বুঝি আমাদের সামনের রাস্তার মতো বিদ্যমান। তাঁরা মনে করেন, যেমন আমরা গাড়ি ঘুরিয়ে রাস্তায় পিছনে যেতে পারি, তেমনি মহাকর্ষীয় কৌশল বা দ্রুত গতির মাধ্যমে আমরাও এই মানচিত্রের অতীত অংশে ভ্রমণ করতে পারব। বাস্তবতা হলো, বস্তু এবং...
Comments
Post a Comment